ধোবাউড়ায় পাহাড়ি ঢলে ২০ গ্রাম প্লাবিত

ধোবাউড়ায় পাহাড়ি ঢলে ২০ গ্রাম প্লাবিত

ময়মনসিংহ সংবাদদাতা : টানা বর্ষণ এবং পাহাড়ি ঢলে ময়মনসিংহের ধেবাউড়ায় নেতাই নদের বাঁধ ভেঙে অন্তত ২০ গ্রাম প্লাবিত হয়ে দেখা দিয়েছে বন্যা। এদিকে পানিবন্দী হয়ে পরেছে হালুয়াঘাটের কয়েক হাজার মানুষ।

এলাকাবাসী জানান, টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে ধৌবাউড়ার গামারীতলা ইউনিয়নের কলসিন্দুর এলাকায় নেতাই নদীর বেড়িবাঁধ, দক্ষিণ মাইজপাড়া রহমতের বাজারের পাশের বাঁধ, ঘোষগাঁও ইউনিয়নের রায়পুর এলাকায় বাঁধ ভেঙে গামারীতলা, দক্ষিণ মাইজপাড়া, ঘোষগাঁও, বাঘবেড়, পোড়াকান্দুলিয়া ও ধোবাউড়া সদর ইউনিয়নের অন্তত ২০ গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।

এতে পানিবন্দী হয়ে পড়ছে অসংখ্য মানুষ। কৃষকের সবজিক্ষেত এবং ঘের পানিতে তলিয়ে গেছে। ভেসে গেছে পুকুরের মাছ। অনেকের বাড়িঘর তলিয়ে গেছে। গবাদিপশু নিয়ে পড়েছে বেকায়দায়।

গামারীতলা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন খান জানান, ইতিমধ্যে উপজেলা চেয়ারম্যান ডেভিড রানা চিসিম ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার রাফিকুজ্জামান ভাঙন এলাকা পরিদর্শন করেছে। প্লাবিত এলাকার বাসিন্দা ও গবাদিপশু অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। স্থানীয় মানুষকে সহায়তা করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

ধোবাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাফিকুজ্জামান জানান, বুধবার বিকেলে প্লাবিত এলাকাগুলো পরিদর্শন করেছি। এ সময় ক্ষতিগ্রস্ত গ্রামবাসীর মধ্যে খাদ্য ও ত্রাণসহায়তা বিতরণ করা হয়েছে। বেড়িবাঁধ সংস্কারের ব্যাপারে পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়।

এদিকে টানা দুই দিনের বর্ষণে ও পাহাড়ি ঢলে ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট সদর ইউনিয়নে রঘুনাথপুর, কৈচাপুর, নড়াইল, গোপিনগর, বিলডোড়া, ধুরাইল, আমতৈল, গাজির ভিটার কয়েক হাজার মানুষ পানিবন্দী অবস্থায় রয়েছে। এ ছাড়া পৌর শহরের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, বেশ কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ শতাধিক বাড়িঘরে পানি প্রবেশ করেছে।

বুধবার হালুয়াঘাট উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মাহমুদুল হাসান সায়েম ও পৌর মেয়র খায়রুল আলম ভূঞা পৌর শহরের পানিবন্দী মানুষের খোঁজ খবর নিতে বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেন।

More News...

রোববার থেকে চালের বস্তায় তথ্য দেওয়া বাধ্যতামূলক

বিএনপি বাঙালি সংস্কৃতিকে সহ্য করতে পারে না: কাদের