মোস্তাফিজদের কিপটে বোলিং

মোস্তাফিজদের কিপটে বোলিং

স্পোর্টস ডেস্ক : যশস্বী জয়সওয়ালের ওপর রাগ হতেই পারে মোস্তাফিজুর রহমানের। বিশেষ করে সুনীল নারাইনের ক্যাচটা যেভাবে ধরলেন সেটা দেখার পর অন্তত অভিমান করাটা মানিয়ে যায়। উনাদকাটের বলে নারাইনের ক্যাচটি দুর্দান্তভাবে ঝাঁপিয়ে নিয়েছেন জয়সওয়াল। সেই ফিল্ডারই মিনিট বিশেক আগে কী ক্যাচটাই না ফেললেন।

মোস্তাফিজের প্রথম ওভারেই উইকেটের দেখা পেতে পারত রাজস্থান রয়্যালস। ৬ রানে থাকা শুভমান গিল কাটার বুঝতে না পেরে ক্যাচ তুলে দিয়েছিলেন। তুলনামূলক বেশ সহজ এক ক্যাচ। কিন্তু সেটা হাতে রাখতেই পারলেন না জয়সওয়াল।

সেই হতাশা ভুলে আজ দারুণ বল করেছেন মোস্তাফিজ। ৪ ওভারের স্পেলে ২২ রান দিয়ে ১ উইকেট পেয়েছেন। তাঁর দলও সাকিববিহীন কলকাতা নাইট রাইডার্সকে ১৩৩ রানে আটকে রেখেছে ওয়াংখেড়েতে।

মোস্তাফিজের প্রথম ওভারে জয়সওয়ালের কারণে বেঁচে যাওয়া গিল অবশ্য তাঁর পরের ওভারেই আউট। বাটলারের দুর্দান্ত ফিল্ডিংয়ে রান আউট হওয়া গিল করেছেন মাত্র ১১ রান। মোস্তাফিজের সামনে বেশ অস্বস্তিতে ভোগা গিল খেলেছেন ১৯ বল। অন্য ওপেনার নিতীশ রানাও মোস্তাফিজের বলে স্বস্তিতে ছিলেন না। পাওয়ার প্লেতে তাই দুই ওভার বল করেও মাত্র ৯ রান দিয়েছেন মোস্তাফিজ। জয়সওয়াল ক্যাচটা ধরতে পারলে রান তো কম হতোই, উইকেটের ঘরও ফাঁকা থাকত না।

পাওয়ার প্লেতে মাত্র ২৫ রান তোলা কলকাতার ইনিংস গতি পায়নি কখনোই। রানা ২৫ বলে ২২ রান করে আউট হয়েছেন। অধিনায়ক এউইন মরগান নিজের বাজে ফর্ম ধরে রেখে বিদায় নিয়েছেন শূন্য রানে। অবশ্য এতে দুর্ভাগ্যও ভূমিকা রেখেছে। বিদায় নেওয়ার আগে একটি বল খেলারও সুযোগ পাননি মরগান!

রাহুল ত্রিপাঠি ও দীনেশ কার্তিক একটু চেষ্টা করেছেন, কিন্তু সেটা শুধু দলকে ভদ্রস্থ স্কোর এনে দেওয়ায় ভূমিকা রেখেছে। ২৬ বলে ৩৬ রান করা ত্রিপাঠি ১৬তম ওভারে ফিরে গেছেন। আন্দ্রে রাসেল বা প্যাট কামিন্সরা শেষ দিকে ঝড় তুলতে পারেননি। শেষ ৫ ওভারে মাত্র ৪০ রান তুলেছে কলকাতা। কার্তিক ২৪ বলে ২৫ রান করেছেন।

More News...

সল্টের ‘কালবৈশাখী ঝড়ে’ নববর্ষ বরণ কলকাতার

নেইমার পেলেন বড় সুখবর