লঙ্কার লিগে বাংলাদেশিদের দাপট

লঙ্কার লিগে বাংলাদেশিদের দাপট

স্পোর্টস ডেস্ক : দরজায় কড়া নাড়ছে এশিয়া কাপ এবং বিশ্বকাপের মত বড় দুই আসর। বড় দুই টুর্নামেন্ট সামনে রেখে ঢাকায় কন্ডিশনিং ক্যাম্পে ব্যস্ত বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল। তবে, জাতীয় দলের খেলা না থাকায় বর্তমানে দেশের বাইরে ফ্র্যাঞ্চাইজ লিগে ব্যস্ত আছেন জাতীয় দলের নিয়মিত মুখ সাকিব আল হাসান, তাওহিদ হৃদয়।।

শ্রীলঙ্কার মাটিতে চলমান লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগে এবার আলাদা করেই নজর রাখছে বাংলাদেশ। টুর্নামেন্টের ৫ দলের মাঝে তিন দলেই আছে বাংলাদেশের খেলোয়াড়। যদিও ডাম্বুলা অরার হয়ে এখন পর্যন্ত মাঠে নামা হয়নি শরিফুল ইসলামের। তবে, জাফনা কিংস আর গল টাইটান্সের হয়ে আলো ছড়াচ্ছেন হৃদয়-সাকিবরা।

 

লঙ্কান প্রিমিয়ার লিগে এখন পর্যন্ত নিয়মিত মাঠে নেমেছেন বাংলাদেশের মিডল অর্ডার ব্যাটার তাওহিদ হৃদয়। চার ম্যাচ শেষে তার পরিসংখ্যানটা বেশ স্বস্তিই দিবে বাংলাদেশি ভক্তদের। এখন পর্যন্ত হৃদয়ের ব্যাট থেকে এসেছে ১৪১ রান। টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ রানসংগ্রাহক তিনি। ৪৭ গড়ে ব্যাট চালিয়েছেন তিনি। ২য় স্থানে থাকা কুশাল মেন্ডিসের রান ১২৪।

টুর্নামেন্টের সেরা গড়ের হিসেবেও ওপরের দিকেই নাম থাকবে হৃদয়ের। চার ম্যাচে হৃদয়ের গড় ৪৭। সমান ম্যাচ খেলার হিসেবে তার চেয়ে ভাল গড় আছে কেবল ধনঞ্চয়া ডি সিলভার। এমনকি সবচেয়ে বেশি বাউন্ডারি হাঁকানোর তালিকাতেও পাওয়া যাবে তাওহিদ হৃদয়ের নাম।

 

যদিও মৌসুমের শেষে তাওহিদকে এসব তালিকায় পাওয়া কষ্টই হবে। জাফনা কিংসের হয়ে তিনি খেলছেন শোয়েব মালিকের বদলি হিসেবে। ৮ আগস্ট জাফনায় যোগ দেবেন মালিক। হৃদয়কে দেওয়া বিসিবির অনাপত্তিপত্রের মেয়াদও শেষ হবে সেদিন। তাই সর্বোচ্চ আর দুই ম্যাচ ব্যাট হাতে দেখা যাবে তাওহিদ হৃদয়কে।

তাওহিদ যখন ব্যাট হাতে আলো ছড়াচ্ছে, তখন বল হাতে নিজের মুন্সিয়ানা দেখাচ্ছেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। ৩ ম্যাচে ৫ উইকেট নিয়ে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারীর তালিকায় তৃতীয় স্থানে আছেন সাকিব। শীর্ষে থাকা মাহেশা পাথিরানা নিয়েছেন ৭ উইকেট।

 

এমনকি টুর্নামেন্টের সবচেয়ে ইকোনমিক্যাল বোলারের তালিকাতেও আছে সাকিবের নাম। সাকিব অবশ্য খেলবেন এলপিএল এর পুরো মৌসুম। অতএব ব্যাটে বলে সাকিব যে নিজেকে আরও উঁচুতে নিয়ে যাবেন তেমনটা বলাই যায়।

More News...

জাতীয় প্রেসক্লাবে বিড়ি শ্রমিকদের সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন

কৃষকদের টাকা দিলে ফেরত দেয়, কোটিপতিরা দেয় না’