কোয়ারেন্টিনের সময়সীমা কমল

কোয়ারেন্টিনের সময়সীমা কমল

নিজস্ব প্রতিবেদন : করোনাভাইরাসে আক্রান্তদের কোয়ারেন্টিনে থাকার সময়সীমা কমানো হয়েছে। কোভিড আক্রান্ত হলে এখন থেকে ১৪ দিনের পরিবর্তে ১০ দিন কোয়ারেন্টিনে থাকলেই হবে।

দেশে করোনাভাইরাসের ঊর্ধ্বমুখী সংক্রমণের মধ্যেই রোববার এ তথ্য জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

দেশের কোভিড পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত ভার্চুয়াল বুলেটিনে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার লাইন ডিরেক্টর এবং মুখপাত্র অধ্যাপক ডা. মো. নাজমুল ইসলাম এ কথা জানান।

তিনি বলেন, করোনা পরীক্ষায় পজিটিভ এলে আমরা এখন ১০ দিনের জন্য কোয়ারেন্টিনের কথা বলব। জ্বর ভালো হয়ে গেলে, উপসর্গগুলো চলে গেলে ১০ দিন পরে তিনি আবার কাজে ফিরে যাবেন। আগে শর্ত হিসেবে আরটি-পিসিআর সনদ নিয়ে যেতে হতো, সেটি আপাতত আমরা স্থগিত রাখছি।

তিনি আরও বলেন, সবাই ওমিক্রনের উপসর্গ নিয়ে আলাপ-আলোচনা করছে। এর উপসর্গগুলো হলো— নাক দিয়ে পানি পড়া, মাথাব্যথা, অবসন্নতা, হাঁচি, গলাব্যথা, কাশি— এই বিষয়গুলো কারও থাকলে পরীক্ষা করাতে হবে। ঠাণ্ডা লেগে কারও গলা ভেঙে গেছে বা কাঁপুনি দিয়ে জ্বর আসছে, সেসব ক্ষেত্রেও চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত বলে জানান তিনি।

ডা. মো. নাজমুল ইসলাম বলেন, দেশে করোনা সংক্রমণের হার যেমনটি বেড়েছে, তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে আমাদের টিকা কর্মসূচিও বেগবান হয়েছে। যারা দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন এবং বুস্টার ডোজের জন্য যোগ্য বিবেচিত হয়েছেন, এমনকি যারা টিকার বার্তাও পেয়েছেন কিন্তু করোনা আক্রান্ত হওয়ার কারণে টিকা নিতে পারেননি, তারা সুস্থ হওয়ার ছয় সপ্তাহ পর বুস্টার ডোজ নিতে পারবেন।

অধিদপ্তরের মুখপাত্র আরও বলেন, ওমিক্রনের কারণে দেশে সংক্রমণ কয়েকগুণ বেড়েছে। আমরা যদি মৃত্যুর সংখ্যাটি দেখি, তা হলে দেখা যায় ডিসেম্বর পর্যন্ত মৃত্যুর সংখ্যা ৩-৪ জনে ছিলো। এখন মৃতের সংখ্যা কয়েকগুণ বেড়ে প্রতিদিন গড়ে ২০-২৫ জন মারা যাচ্ছে। কাজেই আমাদের আত্মতুষ্টিতে ভোগার কোনো সুযোগ নেই।

More News...

জাতীয় প্রেসক্লাবে বিড়ি শ্রমিকদের সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন

কৃষকদের টাকা দিলে ফেরত দেয়, কোটিপতিরা দেয় না’