পু‌লিশ পা‌ঠি‌য়ে থ্রেট করা হ‌চ্ছে: তৈমূর

পু‌লিশ পা‌ঠি‌য়ে থ্রেট করা হ‌চ্ছে: তৈমূর

নারায়ণগঞ্জ প্রতি‌নি‌ধি : নি‌জের নেতাকর্মীদের পাশাপাশি সরকা‌রি দ‌লের অ‌নে‌কের বাড়িতেও পুলিশ পাঠিয়ে থ্রেট করা হচ্ছে বলে অ‌ভি‌যোগ ক‌রে‌ছেন নারায়ণগঞ্জ সি‌টি নির্বাচ‌নের স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী তৈমূর আলম খন্দকার। ‍তিনি বলেন, ‘রোববার রাতে লোকজনের বাড়িতে পুলিশ পাঠিয়ে থ্রেট করা হয়েছে, তারা যেন আমার পক্ষে কাজ না করে নৌকার পক্ষে কাজ করে। আমার সমর্থকদের হয়রানি করা হচ্ছে। নারায়ণগঞ্জবাসীর প্রতি নিবেদন আপনারা সচেতন থাকবেন। কোনো গুজবে কান দেবেন না। অনেক নির্যাতন হবে, সে নির্যাতন প্রতিরোধ করেই আমাদের এগিয়ে যেতে হবে।’

সোমবার সকালে বন্দর সিটি কর্পোরেশন এলাকার মদনপুরে প্রচারণা ও গণসংযোগকালে তিনি এসব কথা বলেন।

তৈমূর আলম বলেন, ‘আপনারা যাচাই করে দেখেন কোন ঠিকাদারের প্রভাবে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন চলে। দেখবেন কোনো না কোনো নাম বেরিয়ে আসবে। যদি না আসে তাহলে বলবেন, তৈমূর আলম খন্দকার মিথ্যা বলেছে।’

তিনি বলেন, ‘আমি কারও কথায় কষ্ট পাই না। আমার দল ঐক্যবদ্ধ। অনেকের মন্তব্যের কারণে আওয়ামী লীগের দলে যে বিশাল ফাঁটল এটা জনগণের কাছে পরিষ্কার। শহরে এখন আলেচনা- তারাই তো তাদের লোকদের সমর্থন পাচ্ছে না। আর তৈমূর আলম খন্দকার সকলকে নিয়ে মাঠে নেমেছে। আমার জয় হবে এটাই জনগণ বলছে। তবে কারও নামের সঙ্গে কোনো বিশেষণ দেওয়াটা সভ্যতা নয়। এখন এ বিশেষণ আইভীর মুখেই শোনা যাচ্ছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘গত আঠারো বছরে পৌরসভার ব্যর্থতা এবং নাগরিক সুবিধা বৃদ্ধি পায়নি, পক্ষান্তরে হোল্ডিং ট্যাক্স বৃদ্ধি পেয়েছে, পানির জন্য দেড় লাখ টাকা নেওয়া হচ্ছে। সিটি করপোরেশন থেকে ক্লিয়ারেন্স নিতে হলেও ট্যাক্স দিতে হয় যেটা অন্য কোনো সিটি করপোরেশনে নেই। সিটি করপোরেশন কোনো ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান না। এটা একটা সেবামূলক প্রতিষ্ঠান। সিটি করপোরেশন জনগনকে সেবা দিবে। কিন্তু সেই সেবার বদলে তাদের ট্যাক্স বেশি গুণতে হচ্ছে। উন্নয়ন প্রজেক্টের কথা বলা হয়। আমরা চাই পরিকল্পিত উন্নয়ন। সেই উন্নয়নের প্রশ্নে আপনি দেখবেন সিটি করপোরেশন কন্ট্রাক্টারদের সিন্ডিকেটে পরিণত হয়েছে। এই নির্বাচনেও প্রতি ওয়ার্ডে কন্ট্রাক্টাররা নির্বাচন পরিচালনা করছে। সেখানে সিটির কর্মচারীদের ব্যবহার করা হচ্ছে।’

মেয়র প্রার্থী এড. তৈমূর আলম বলেন, ‘নারায়ণগঞ্জের জনগণ যে কারণে সিটি কর্পোরেশনের প্রয়োজন অনুভব করেছিল সে অনুযায়ী মানুষের সেবা বৃদ্ধি পায়নি। এখনও জলাবদ্ধতা, যানজট, বায়ু দূষণ, শব্দ দূষণরোধসহ মানুষের সামাজিক উন্নয়ন এখানে করা হয়নি। দৃশ্যমান যেটা করা হয়েছে, সেটা হচ্ছে খালি জায়গায় পার্ক, মাঠ, কমিউনিটি সেন্টার না করে সেখানে এপার্টমেন্ট করা হয়েছে। সেই এপার্টমেন্ট বানানো সিটি করপোরেশনের দায়িত্ব না। এই এপার্টমেন্ট বিতরণের দায়িত্বেও অনেক দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘নারায়ণগঞ্জের মানুষ অত্যন্ত অসন্তুষ্ট। এখন নতুন আরেকটা কথা আসছে, আমি তো সকলের সমর্থন কামনা করি। প্রতিটি ভোটারের সমর্থন চাই। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী যদি মনে করে কেউ আমাকে সমর্থন দেয় তাকে সমর্থন দেয় না। তার সম্পর্কে বিভিন্ন বিশ্লেষণ লাগিয়ে তাদের চরিত্র হনন করা হয়।’

More News...

জাতীয় প্রেসক্লাবে বিড়ি শ্রমিকদের সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন

কৃষকদের টাকা দিলে ফেরত দেয়, কোটিপতিরা দেয় না’