গোপনে ফোল্ডেবল আইফোন তৈরি করছে অ্যাপল

গোপনে ফোল্ডেবল আইফোন তৈরি করছে অ্যাপল
তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক : স্যামসাং বেশ কয়েকবছর আগেই পরবর্তী প্রজন্মের ভাঁজ করা ফোন এনেছে বাজারে। তবে প্রযুক্তি বাজার টিকে থাকতে একের পর এক স্মার্টফোন প্রতিষ্ঠান ঝুঁকছে ভাঁজযোগ্য স্মার্টফোন তৈরিতে। কিছুদিন আগেই সেই তালিকায়যুক্ত হয়েছে হুয়াওয়ে, অপো। তবে এবার হয়তো প্রতিযোগিতার বাজারে নিজেদের সেরাটা নিয়ে হাজির হচ্ছে অ্যাপল।

অ্যাপল প্রথম আইফোন বাজারে আনে ২০০৭ সালের ৯ জানুয়ারি। সেই শুরু থেকেই স্মার্টফোনের বাজারে রাজত্ব করছে অ্যাপলের আইফোন। তবে এবার ফোল্ডেবল আইফোন তৈরি করছে তারা। ভাঁজ করা মোবাইল যে স্মার্টফোনের ভবিষ্যৎ তা হয়তো ভালোভাবেই আঁচ করতে পেরেছে প্রতিষ্ঠানটি।

শোনা যাচ্ছে, একাধিক ফোল্ডেবল স্মার্টফোন প্রোটোটাইপ নিয়ে কাজ করছে অ্যাপল। তবে ডিসপ্লে প্রযুক্তির নানান জটিলতার কারণে অ্যাপল আদৌ ফোল্ডেবল প্রোটোটাইপগুলোর বাণিজ্যিক সংস্করণ বাজারজাত করবে কি না, সেই বিষয়টি পরিষ্কার নয় । তবে প্রোটোটাইপ নিয়ে যে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে, সে বিষয়টি নিশ্চিত বলে জোর দাবি করছে তথ্য ফাঁসকারী।

তারা আরও বলছে, প্রযুক্তি পণ্যের বাজারে ফোল্ডেবল ফোনগুলোর চাহিদা থাকবে, নাকি অন্যান্য পণ্যের ভিড়ে হারিয়ে যাবে, সেই বিষয়টি নিয়ে সন্দিহান আইফোনের নির্মাতা প্রতিষ্ঠান। তাই বাজারের শীর্ষ প্রতিদ্বন্দ্বী প্রতিষ্ঠানগুলোর ভুলের উপর ভালোভাবেই নজর রাখছে তারা।

তবে অ্যাপলের বর্তমান পরিকল্পনায় অনেকগুলো দুর্বলতা রয়েছে বলে মত ওই তথ্য ফাঁসকারীর। ওলেড ডিসপ্লে থেকে সাধারণ প্লাস্টিক স্ক্রিনে যাওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে। অন্য নির্মাতারা যখন বেটা পর্যায়ে থাকা পণ্যের নতুন নতুন সংস্করণ বাজারজাত করছেন, অ্যাপল তখন ডিজাইন যেন বর্তমান আইফোনের মান থেকে দুর্বল না হয়, সেটা নিশ্চিত করার চেষ্টা করছে। প্রযুক্তির অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনায় আগ্রহী তারা।

কুও’র দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালে দেড় থেকে দুই কোটি ফোল্ডেবল বিক্রির পরিকল্পনা করেছে অ্যাপল এবং সম্ভবত স্মার্টফোনগুলোর ফোল্ডেবল ওলেড স্ক্রিনের জন্য স্যামসাংয়ের সঙ্গে কাজ করবে প্রতিষ্ঠানটি। তার ধারণা শক্তিশালী ‘ক্রস প্ল্যাটফর্ম ইকোসিস্টেম’-এর কারণে ফোল্ডেবল আইফোন নিয়েও বড় সাফল্যের মুখ দেখবে প্রতিষ্ঠানটি।

More News...

কল ধরলেই তথ্য হ্যাক, বিষয়টি সঠিক নয়

ঘোষণায় সীমাবদ্ধ অনিবন্ধিত মোবাইল ফোন বন্ধের ‘তোড়জোড়’