কাদেরের শারীরিক অবস্থা নিয়ে যা বললেন চিকিৎসক

কাদেরের শারীরিক অবস্থা নিয়ে যা বললেন চিকিৎসক

নিজস্ব প্রতিবেদক : আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বর্তমানে ভালো আছেন বলে জানিয়েছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ।

আজ বুধবার সকালে ওবায়দুল কাদেরের স্বাস্থ্য পরিস্থিতি নিয়ে তিনি এ কথা বলেন। এর আগে গতকাল মঙ্গলবার সকালে বুকে ব্যথা নিয়ে বিএসএমএমইউতে ভর্তি হন ওবায়দুল কাদের।

শারফুদ্দিন আহমেদ জানান, গতকালের চেয়ে এখন অনেকটা ভালো আছেন ওবায়দুল কাদের। ব্লাড প্রেসার এবং অক্সিজেন স্যাচুরেশন স্বাভাবিক আছে। আগামী ২-৩ দিন হাসপাতালে নিবিড় পর্যবেক্ষণে থাকবেন তিনি। বর্তমানে তার কোনো শ্বাসকষ্ট নেই বলে জানিয়েছেন এ চিকিৎসক।

ওবায়দুল কাদেরের চিকিৎসায় ১০ সদস্যের মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়। যেখানে ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ, আবু নাসির রিজভি ছিলেন, কার্ডিওলজি প্রফেসর ফজলুর রহমান, রেসপুরেটরি মেডিসিনের প্রফেসর আতিক রহমান, এন্ডোক্রনোলজির ফরিদুর রহমান, নেফ্রলজির নজরুল ইসলাম, মেডিসিনের প্রফেসর আরাফাত, প্রো-ভিসি এ কে এম মোশারফ ও জাহিদ হোসেন।

ভর্তির পর মো. শারফুদ্দিন আহমেদ বলেছিলেন, এখনো পর্যন্ত ঝুঁকি আছে বলে আমরা মনে করি না। যদি কোনো রকম কোনো সমস্যা হয় পরবর্তীতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এদিকে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে ওবায়দুল কাদেরের সুস্থতার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চাওয়া হয়।

এছাড়া আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে হাসপাতালে গিয়ে অহেতুক ভিড় না করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়। একইসঙ্গে দর্শনার্থীদের হাসপাতালে না যাওয়ার পরামর্শ দেন বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

গত বছরের ৩১ জানুয়ারিতে শ্বাসকষ্ট নিয়ে বিএসএমএমইউ-তে ভর্তি হন ওবায়দুল কাদের। ওইদিন ধানমণ্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলটির সম্পাদকমণ্ডলীর বৈঠক ছিল। বৈঠকে যোগ দিতে সকাল ১০টার দিকে সেখানে পৌঁছান ওবায়দুল কাদের। সে সময় শ্বাসকষ্ট অনুভব হওয়ায় ১০ মিনিট পর কার্যালয় থেকে বের হয়ে যান। পরে সেখান থেকে গাড়ি নিয়ে সরাসরি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় যান তিনি।

এর আগে ২০১৯ সালের ৩ মার্চ শ্বাসকষ্ট নিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) ভর্তি হয়েছিলেন ওবায়দুল কাদের। সেখানে এনজিওগ্রাম পরীক্ষা করার পর তার করোনারি ধমনিতে তিনটি ব্লক পান চিকিৎসকরা। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে সিঙ্গাপুর নেওয়া হয়।

এরপর ২০ মার্চ মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে মন্ত্রীর বাইপাস সার্জারি সম্পন্ন হয়। সেখানে দীর্ঘ এক মাস চিকিৎসা নেওয়ার পর ওই বছরের ৫ এপ্রিল হাসপাতাল থেকে ছাড়া পান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।

More News...

ওবায়দুল কাদেরের মস্তিষ্ক অলস-হৃদয় দুর্বল : রিজভী

বিএনপি বাঙালি সংস্কৃতিকে সহ্য করতে পারে না: কাদের