বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে আ স ম ফিরোজের বিরুদ্ধে মামলা

বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে আ স ম ফিরোজের বিরুদ্ধে মামলা

পটুয়াখালী প্রতিনিধি : ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবার হত্যার ঘটনা নিয়ে আপত্তিকর বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে সাবেক চিফ হুইপ আ স ম ফিরোজের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। পটুয়াখালী-২ আসনের এই সাংসদের বিরুদ্ধে পটুয়াখালী আদালতে নালিশি মামলা করেছেন এক আওয়ামী লীগ নেতা। ১৯ ডিসেম্বর আদালত মামলাটি গ্রহণের বিষয়ে আদেশ দেওয়ার তারিখ নির্ধারণ করেছেন।

বাউফল উপজেলার বাউফল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের শ্রমবিষয়ক সম্পাদক মো. জাহিদুল হক (৪৬) বাদী হয়ে আজ মঙ্গলবার দুপুরে পটুয়াখালী চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট দ্বিতীয় আমলি আদালতে মামলাটি দায়ের করেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ৯ ডিসেম্বর (শুক্রবার) বেলা ১১টা ৪৫ মিনিটের সময় বাউফল উপজেলা আওয়ামী লীগের দলীয় অফিসে বসে স্থানীয় সাংসদ ও সাবেক চিফ হুইপ আ স ম ফিরোজ নেতা-কর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে বলেন, ‘জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান খুন হওয়ার পর বঙ্গবন্ধুর ছবিতে জুতা-ঝাঁটা লাগিয়ে আনন্দমিছিল করেছি। তাতেই কিছু হয়নি, আর বাউফল আওয়ামী লীগের ত্যাগী নেতা-কর্মীরা যারা আমার বিরুদ্ধে করে, তাদের ডজনখানেক খুন করিলেও আমার কোনো ক্ষতি হবে না।’

ওই দিন বাদী সেখানে উপস্থিত থেকে এই কথা শুনে শিউরে ওঠেন এবং পরবর্তী সময়ে তিনি পঁচাত্তর সালের সেই ঘটনা-সম্পর্কিত তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করেন। এরপর ১২ ডিসেম্বর বাউফল থানায় মামলা করতে গেলেও পুলিশ মামলা নেয়নি। এর পরিপ্রেক্ষিতে আজ আদালতে মামলাটি করেন।

এই মামলায় আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক, ১৯৭৫ সালে বরিশাল ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খান আলতাফ হোসেন ভুলু, বাউফল উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জসিম উদ্দিন ফরাজীসহ ১০ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে। বাদীপক্ষে আইনজীবী হিসেবে মামলাটি পরিচালনা করছেন মো. জাহাংগীর হোসেন এবং সৈয়দ জাহিদুল ইসলাম।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে আ স ম ফিরোজ বলেন, ‘আমি ৪০ বছর ধরে সংসদ সদস্য। নেত্রী ও কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ এ বিষয়ে জানেন। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দিব না।’

More News...

বিড়ির শুল্ক প্রত্যাহারসহ চার দাবিতে পাবনায় মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে পাওয়া গেল পৌনে ৮ কোটি টাকা