বিধিনিষেধ শেষে চিরচেনা রূপে ঢাকা

বিধিনিষেধ শেষে চিরচেনা রূপে ঢাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক : মহামারি করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে সরকার ঘোষিত বিধিনিষেধ শেষে বুধবার থেকে শুরু হয়েছে সব ধরনের যান চলাচল। খুলেছে দোকানপাট ও অফিস-আদালত। ফলে রাজধানীতে বেড়েছে সাধারণ মানুষের উপস্থিতি। সব মিলিয়ে চিরচেনা রূপে ফিরেছে রাজধানী ঢাকা।

সকাল থেকে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী সড়কে অর্ধেক সংখ্যক বাস চলাচল করায় সকালে গণপরিবহন সংকটে পড়েছেন যাত্রীরা। এছাড়া সড়কে ব্যাপক সংখ্যক সিএনজি চালিত অটোরিকশা ও মোটরসাইকেল চলাচল করতে দেখা গেছে।

রাজধানীর রামপুরা ব্রিজ এলাকায় কথা হয় ইমরান হোসেন নামে একজন বেসরকারি চাকরিজীবীর সঙ্গে। তিনি বলেন, বিধিনিষিধের মধ্যে যাদের সশরীরে অফিস করতে হয়েছে, তারা বিভিন্নভাবে অফিসে পৌঁছেছে। কিন্তু আজ থেকে বিধিনিষেধ শিথিল হওয়ার কারণে সবাই অফিসে যাওয়ার জন্য সকাল সকাল বের হয়েছে। কিন্তু গণপরিবহন অর্ধেক চালুর কারণে মানুষকে ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে।

সাইনবোর্ড থেকে সাভার চলাচলকারী ঠিকানা পরিবহনের বাসের চালক গাজী সাঈদ জুম্মন বলেন, সড়কে মানুষের সংখ্যা বেশি। কিন্তু নির্দেশনা অনুযায়ী অর্ধেক বাস চলাচল করছে। এতে করে যাত্রীরা গণপরিবহন সংকটে ভুগছে। অনেক বাসের গেট লাগানো তাই যাত্রীরাও গাড়িতে উঠতে পারছে না। সব কিছু খুলে দিয়ে অর্ধেক বাস চালুর সিদ্ধান্তের কারণ কী, এটা আমরা জানি না।

রায়দা পরিবহনের চালকের সহকারী এনায়েত হোসেন বলেন, পরিবহন অর্ধেক। সে কারণে যথেষ্ট যাত্রী পাওয়া যাচ্ছে। কিন্তু জায়গা হচ্ছে না। দুই দিন পর যখন যাত্রী বাড়বে তখন পরিবহন না বাড়ালে দাঁড়িয়ে যাত্রী নেওয়া ছাড়া উপায় থাকবে না।

উল্লেখ্য, সরকারি ঘোষণা অনুযায়ী মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১২টার পর থেকে বিধিনিষেধ শিথিল কার্যকর হয়েছে। যার ফলে বুধবার সকাল থেকে সব ধরনের গণপরিবহন চলাচল শুরু হয়েছে। এছাড়া নির্দেশনা অনুযায়ী শপিংমল, মার্কেট ও দোকানপাট সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে খোলা রাখা যাবে। শিল্প-কারখানা চালু থাকবে। খাবারের দোকান, হোটেল-রেস্তোরাঁয় অর্ধেক আসন খালি রেখে সকাল ৮টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা রাখা যাবে।

More News...

জাতীয় প্রেসক্লাবে বিড়ি শ্রমিকদের সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন

কৃষকদের টাকা দিলে ফেরত দেয়, কোটিপতিরা দেয় না’