করোনায় কেনাকাটা ও বাড়িতে যাওয়ার ফল ১৫ দিন পর: দীপু মনি

করোনায় কেনাকাটা ও বাড়িতে যাওয়ার ফল ১৫ দিন পর: দীপু মনি

নিজস্ব প্রতিবেদক : করোনা পরিস্থিতির মধ্যে কিছু মানুষ ঈদের কেনাকাটায় উন্মাদ হয়ে গেছে বলে উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি বলেছেন, এ উন্মাদনা নিজের ও পরিবারের জীবন বিপন্ন করতে পারে। যেভাবে মানুষ কেনাকাটার জন্য ছোটাছুটি করছে, বাড়িতে যেতে ঘাটে ভিড় করছে, এর ফল আরও ১৫ দিন পরে ভোগ করতে হবে।

তিনি বলেন, করোনার এ সময়ে আমাদের সবাইকে সচেতন হয়ে চলতে হবে। প্রতিবেশী দেশ ভারতের অবস্থা কতটা ভয়ংকর তা আমাদের সবার জানা। কোনোভাবেই করোনা নিয়ে উদাসীন হওয়া যাবে না। উদাসীন হলে যেকোনো মুহূর্তে বিপর্যয় নেমে আসতে পারে।

রবিবার রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগের সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে অনলাইনে যুক্ত হয়ে দলটির বন ও পরিবেশ বিষয়ক উপ-কমিটির টেলিমেডিসিন সেবার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

দীপু মনি বলেন, স্বাধীনতার পর থেকেই দেশের মানুষ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিষ্ঠিত আওয়ামী লীগের ওপর ভরসা রাখে। বাংলাদেশ সৃষ্টির শুরু থেকে আওয়ামী লীগ মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে। করোনা মহামারির প্রথম থেকে আওয়ামী লীগের নেতা–কর্মীরা যেভাবে মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে কাজ করেছে তা অনুকরণীয়। আমাদের দলীয় নেতা-কর্মী ও তার সহযোগী সংগঠন ছাড়া দেশের মানুষের পাশে আর কোনো রাজনৈতিক সংগঠন দাঁড়ায়নি। তারা মানুষের সেবায় নিয়োজিত ছিল। এ জন্য মানুষ আমাদের নেতা–কর্মীদের ওপর নির্ভর করে, ভরসা রাখে।

এ সময় শিক্ষামন্ত্রী প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে গাছের চারা রোপণ ও ১৫০ চিকিৎসকের সমন্বয়ে টেলিমেডিসিন সেবা চালুর জন্য আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক উপ-কমিটিকে ধন্যবাদ জানান।

আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক উপ-কমিটির চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. খন্দকার বজলুল হকের সভাপতিত্বে এবং বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক দেলোয়ার হোসেনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অনলাইনে যুক্ত ছিলেন চাইল্ড হেলথ রিসার্চ ফাউন্ডেশনের প্রধান বিজ্ঞানী অধ্যাপক ড. সমীর কুমার সাহা, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ডা. মাহতাব আল মামুন স্বপ্নীল, সহযোগী অধ্যাপক ডা. নুজহাত চৌধুরী প্রমুখ।

More News...

কোন ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে ইরানে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল?

তীব্র তাপপ্রবাহ হাসপাতালগুলোতে জরুরি রোগী ছাড়া ভর্তি না করার নির্দেশ